বিরিয়ানি রেসিপি

বিরিয়ানি কত প্রকার জানেন কি? জানুন বিরিয়ানির রেসিপি কত প্রকার?

বিরিয়ানি রেসিপি এর মূলত রান্না হয় বিয়ে, আত্মীয়- স্বজন, ঈদ, পূজোর অনুষ্ঠান গুলোতে।এ ছাড়াও অনেকে ছুটির দিনে বিরিয়ানির রান্না পছন্দ করেন।
বিরিয়ানি দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার এবং এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।
ধারণা করা হয়ে থাকে, ঠিক যে সময় থেকে  ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন চালু হয়েছে সেই সময় থেকে  বিরিয়ানি প্রচলন চালু হয়েছে।
তো চলুন জেনে নেই বিরিয়ানী রান্নার সকল দরকারী তথ্য। 

বিরিয়ানি রেসিপির কয়েকটি অসাধারণ প্রকারভেদ

বিরিয়ানি রান্নার মূল উপকরন চাল হলেও এর সাথে নানা রকম উপাদন মিশানো হয়। ফলে বিরিয়ানির স্বাদ অনুযায়ী নামেরও পরিবর্তন হয়।
যেমন, চিকেন বিরিয়ানি বলতে বুঝাবে যে বিরিয়ানিতে চিকেন বা মুরগী যোগ করা হয়েছে। মুরগির বিরিয়ানি রেসিপি এর পরে আসে মাটন বিরিয়ানি
রেসিপি বা খাসির বিরিয়ানি। আবার যদি গরু দিয়ে বিরিয়ানি হয় সেটা হবে বিফ কাচ্চি বিরিয়ানি রেসিপি। তবে স্থানের তারতম্যের উপর ভিত্তি করে
বিরিয়ানিরও রকম ফের আছে যেমন, হায়দ্রাবাদী চিকেন বিরিয়ানি রেসিপি, পুরান ঢাকার হাজীর চিকেন বিরিয়ানি ইত্যাদি।

বিরিয়ানি রেসিপি এর সাধারণ উপকরণ সমূহ

কতটুকু চাল দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করতে চান, তার উপর সম্পুরক মশলা নির্ভর করবে যেমন, ২ কেজি চালের বিরিয়ানি রেসিপি আর
৫ কেজি চালের বিরিয়ানি রেসিপি এর উপাদান একরকম হবে না। সে যাই হোক নিচে আমরা ১ কেজি চালের বিরিয়ানি রেসিপি দেখাবো।
চলুন তাহলে কয়েকটি সাধারণ উপকরনের আর অজানা কৌশলে তৈরি লোভনীয় বিরিয়ানি রেসিপি সম্পর্কে আদ্যপান্ত জেনে নেই। 

  • তেল পরিমাণমতো পরিমানমতো 
  • পেঁয়াজ বাটা  
  • কাঁচা মরিচ 
  • চার থেকে পাঁচটা রসুন বাটা 
  • 1 টেবিল চামচ ধনে গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো 
  • পেঁয়াজ কুচি 3 কাপ
  • লাল মরিচের গুঁড়া 2 চা চামচ 
  • এক কাপ দুধ 
  • বিরিয়ানির জন্য প্যাকেটের মসলা 2 টেবিল চামচ, এই মসলা আপনি নিজে তৈরি করলেও হবে।
  • লবণ স্বাদমতো 
  • স্বাদ বাড়াতে কয়েকটি আলুবোখরা যোগ করতে পারেন। 

বিরিয়ানি রান্নার সাধারণ টিপস

এবারে চলুন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বিরিয়ানি রেসিপির  প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে জেনে নেই: যদি প্রেসার কুকারে রান্না করেন, তাহলে একটি বাঁশি
হওয়ার পরেই নামিয়ে ফেলুন। আর যদি চুলায় রান্না করে থাকেন, তাহলে এক্ষেত্রে চুলার আঁচ কিছুটা কমিয়ে হাঁড়ির ভেতরে কিছুটা
আলুবোখরা এবং দুধ মিশিয়ে দিন। এতে করে আপনার রান্না করা বিরিয়ানির স্বাদ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। 

আপনি যদি প্রেসার কুকারে রান্না করে থাকেন, তাহলে সেক্ষেত্রে একটি  সিটি হয়ে যাওয়ার পরে 15 মিনিটের জন্য প্রেসার কুকার বন্ধ করে রাখুন।
এতে করে বিরিয়ানির ভেতরে এক ধরনের স্মোকি ফ্লেভার আসবে। ঝরঝরে হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন, মজাদার গরম গরম বিরিয়ানি।
ঝটপট পরিবেশন করে ফেলুন, আপনার পরিবারের সদস্যরা আঙ্গুল চেঁটে পুটে উপভোগ করবে আপনার রান্না মুখরোচক বিরিয়ানি।

যদি প্রেসার কুকারে রান্না করেন, তাহলে একটি বাঁশি হওয়ার পরেই নামিয়ে ফেলুন। আর যদি চুলায় রান্না করে থাকেন, তাহলে এক্ষেত্রে
চুলার আঁচ কিছুটা কমিয়ে হাঁড়ির ভেতরে কিছুটা আলুবোখরা এবং দুধ মিশিয়ে দিন।
এতে করে আপনার রান্না করা বিরিয়ানির স্বাদ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। 

বিফ বিরিয়ানি রেসিপি

বিফ বিরিয়ানী

এক্ষেত্রে কিন্তু গরুর মাংস চাই চাই! কারণ যেহেতু বিরিয়ানি তৈরি করবেন, সেহেতু মূল উপকরণগুলোর একটি হলো গরুর মাংস।
গরুর মাংস- ১ কেজি বা আপনার হিসাব অনুযায়ী দিতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, যেন চাউলের থেকে গোশের পরিমাণ বেশি না হয়ে যায়।
একই সাথে হাড়সহ গোশ ব্যবহার করবেন, নতুবা বিরিয়ানির আসল স্বাদ অধরাই থেকে যাবে।

পোলাওয়ের চাল- আধা কেজি , আদা-রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ, টক দই- ৩ টেবিল চামচ, আদা বাটা- ১ চা চামচ, সয়াবিন
তেল- প্রয়োজন মতো, বিরিয়ানির মসলা- দেড় টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ, লবণ- স্বাদ মতো, এলাচ- ৫টি, তেজপাতা- ২টি, দারুচিনি- ২
টুকরো, লবঙ্গ- কয়েকটি, আস্ত কাঁচামরিচ- কয়েকটি, আলুবোখারা- কয়েকটি, ঘি- ২ টেবিল চামচ, গোলাপজল ও কেওড়া জল- ১ চা চামচ

বিফ বিরিয়ানি প্রস্তুত প্রণালী:

প্রথমে মাংসগুলো ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে মাংশগুলোকে নিয়ে তার ভেতরে আদা বাটা,রসুন বাটা,টক দই এবং চাইলে কিছুটা বিরিয়ানির মশলা যোগ করে নিতে পারেন। এভাবে মশলা দিয়ে মেখে রাখা মাংস প্রায় আধা ঘন্টা যাবত রেখে দেবেন। এরপর একটি কড়াইয়ে কিছুটা  তেল নিয়ে পেয়াজ বেরেস্তা করে নিন। তার ভেতরেই মেরিনেট করে রাখা মশলাদার মাংশ গুলো দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন এবং সামান্য পানি যোগ করে দিন।গোস্ত সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত ঢাকনা দিয়ে অপেক্ষা করুন। বিরিয়ানির চাল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিয়ে প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য রোদে শুকোতে দিতে পারেন।

মোটকথা, একবারে ঝরঝরে চাল ব্যবহার করবেন। এরপর বিরিয়ানি তৈরী করার প্যানে কিছুটা তেল গরম করে তার ভেতরে  দারুচিনি, তেজপাতা, লবঙ্গ ও এলাচ ভেজে নিন। তারপর পানি ঝরিয়ে রাখা চালগুলো দিয়ে ভালো করে চালগুলো ভাজতে থাকুন। চালের পরিমানের দ্বিগুন পানি দিয়ে কিছুটা সেদ্ধ করে নিন,একদম সাধারণ ভাতের মতো যেনো সেদ্ধ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন অর্থাৎ আধা সেদ্ধ করবেন। সুগন্ধ বের হলে তার ভেতরে মাংসগুলো দিয়ে দিন। কিছুটা আলু বোখরা আর কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন…

সঠিক মিশ্রণ

গোশ এবং ভাতের সঠিক মিশ্রণের জন্য প্রথমে কিছু পরিমাণ আধা সেদ্ধ ভাতের উপর গোশ এবং আবার ভাত দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন। তাতে ভাতের সাথে গোশের মশলা ভালো ভাবে মিশে যাবে।এখন রান্না শেষ হওয়ার জন্য আরো ২০ মিনিট সময় পরিমান অপেক্ষা করুন।বিরিয়ানি পরিবেশন করার পুর্বে কিছুটা ঘি উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন! ব্যাস! তৈরী হয়ে গেল, হোটের মতো মজাদার স্বাদের বিরিয়ানি। 

বিফ বিরিয়ানি খাওয়া কি সত্যিই ক্ষতিকর?

বিফ বিরিয়ানি রেসিপি

দেখুন এই প্রশ্নটা আপনি যদি অন্যদের কাছে জিজ্ঞেসা করেন তাহলে উত্তর পাবেন, “এমন আনহেলদি খাবার না খাওয়াই ভাল, এটা ভালো অভ্যাস না।”
কি! এমনই উত্তর পাবেন তো? কিন্তু আমরা যদি বলি এই উত্তরে কিছুটা ঠিক তবে ভুলের পরিমাণও নেহাত কম নয়, তাহলে কী বলবেন?

হ্যাঁ, আপনি সঠিক শুনেছেন বিফ বিরিয়ানি বানানোর সময় যদি তাতে কয়েকটি উপকারি জিনিস যোগ করা হয়, আর কিছু জিনিস মাইনাস, তাহলে বলবো বিফ বিরিয়ানিও হেলদি খাবারগুলোর একটি হবে। কেন এমন কথা বলছি তাই ভাবতে বসেছেন তো? একটু খেয়াল করে দেখুন তো বিফ বিরিয়ানি বানাতে মূলত কী কী উপকরণ লাগেছে? প্রথমত, গরুর মাংস, সঙ্গে চাল, আলু, মশলা, তেল, ঘি এবং আরও কিছু মশলা। 

উপকার

গরুর মাংস,  আমাদের শরীরে ক্যালসিয়াম, প্রোটিনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি আরও নানাভাবে দেহের গঠনে সাহায্য করে।
এই বিরিয়ানিতে সাধারণ সাদা ভাতের জায়গায় যদি ব্রাউন রাইস ব্যবহার করা যায়, তাহলে শরীরে ফাইবারের ঘাটতি দূর হবে।
আর শেষ পাতের ঘি! স্নেহ উপাদান কত ভাবে যে শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে, তা আর আলাদাভাবে বলে দিতে হবে না। 

এখন অতিরিক্ত তেলের বিষয়ে আসা যাক। অতিরিক্ত মাত্রায় তেল ব্যবহার না করে ঘিয়ের সঙ্গে যদি অল্প মাত্রার অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন,
তাহলে কিন্তু শরীরের ক্ষতির আশঙ্কা যথেষ্ট পরিমাণ কম থাকে। আর সেই সঙ্গে যদি বিফ বিরিয়ানি বানানোর সময় তাতে নানা স্বাদের সবুজ
সবজি যোগ করে দেওয়া যায়, তাহলে তো কথাই নেই! কারণ এই উপাদান গুলো যোগ করলে শরীরে ভিটামিন, খনিজ এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। 

শেষে আসা যাক, জায়ফলের উপকারিতার বিষয়ে। এই প্রকৃতিক উপাদানটি ছাড়া অধিকাংশ বিরিয়ানির আসল স্বাদ অধরাই থেকে যায়।
আর মজাদার, সুস্বাদু বিরিয়ানি রেসিপির গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন কৌশলটি হলো জায়ফল বা আলুবোখরা। 

এবার বলুনতো, এইভাবে বিফ বিরিয়ানি রান্না করলে তা আপনার দেহের জন্য উপকারী হবে কিনা? তবে আপনাকে একটা জিনিস মাথায়
রাখতেই হবে যে, অতিরিক্ত কোন কিছুর ফল ভালো হয় না। এজন্যই কথায় আছে, উনো ভাতে দুনো বল, অতি ভাতে রসাতল। 

সতর্কতা

রান্নার প্রথমে একটি বিষয় মনে রাখবেন। ভালো খাবার তৈরি করার প্রথমে জীবাণুমুক্ত, নিরাপদ খাদ্য দরকার।
কারণ শরীরের ইমিউন সিস্টেম ঠিক রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সঠিক উপকরণে তৈরি খাবারের বিকল্প নেই।
ভেজাল উপকরণ দিয়ে তৈরি খাবার খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়বেই না; বরং আপনার শরীর রোগের স্বর্গ রাজ্য হয়ে যাবে।

হাজীর বিরিয়ানি রেসিপি

হাজীর বিরিয়ানি রেসিপি
হাজীর বিরিয়ানি রেসিপি

উপকরণ:
জেনে নেওয়া যাক কি কি উপকরন লাগবে এই হাজীর বিরিয়ানিতে,খাসির মাংস ৮ কেজি, পোলাওর চাল ৫ কেজি, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কেজি, আদা ৪০০ গ্রাম, রসুন ২৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ৫০০ গ্রাম, তরল দুধ ১ কেজি, টক দই ১ কেজি, এলাচি ও দারুচিনি ৩০ গ্রাম করে, কাঠবাদাম ৫০০ গ্রাম, কিশমিশ ২৫০ গ্রাম, লবণ ২৫০ গ্রাম, তেল ৩ কেজি, তেজপাতা কয়েকটা।

প্রস্তুত প্রণালী:
কিছুক্ষণ পর আদা ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়ুন।মাংস সহ সব মসলা দিয়ে মাংস টা কে ২ ঘন্টা মেরিনেট করে রাখুন । আলু টা পরে দিতে হবে।
এইবার ফুল হিট চুলাই কড়াই তে সরিষার তেল ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে গরম হলে মাংস ঢেলে কিছু সময় নারা চারা দিয়ে ঢেকে
দিলাম ১০ মিনিট এর জন্য। যদি মাংস থেকে বেশি পানি উঠে তাহলে আর এক্সটা পানি দেয়ার দরকার নাই। বেশ কিছুক্ষন পর
মাংস টা হয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে বাকি তেল জরিয়ে শুধু মাংস উঠিয়ে জড়ানো তেলে পেয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে ধুয়ে জরিয়ে রাখা
পোলার বা বাসমতি চাউল ঢেলে দিয়ে কিছুক্ষন চাল ভেজে নিলাম।

১ কেজি চালে দেড় কেজি হাল্কা গরম পানি দিয়ে দিলাম এই ভাবে ঢেকে যখন পানি প্রায় শুকিয়ে আসবে তখন তুলে রাখা মাংস এবং
আলু ভেজে রাখা গুলো ঢেলে নাড়াচাড়া করে চুলার আচ একদম কমিয়ে বা চুলার উপর লোহার তাওয়া দিয়ে উপরে পাতিল
বসিয়ে ঘন্টা খানেক রেখে মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে ।নামানোর আগে কেওড়া জল ও একটু সরিষার তেল উপর দিয়ে ঢেলে নামাতে হবে।

হয়ে গেল পুরান ঢাকার বিখ্যাত হাজীর বিরিয়ানী রান্নার রেসিপি …গরম গরম নামিয়ে পরিবেশন করেন ভেজে রাখা পেয়াজ বেরেস্তা ছিটিয়ে দিন।

এর পর পানি শুকিয়ে আসলে পরিবেশন করুন মজাদার হাজির বিরিয়ানি!

শেষ কথা

আশা করি ফুডলিংক বিডির এই বিরিয়ানি রেসিপি টি ভালো লেগেছে। কোন প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে কমেন্ট বক্সে দয়া করে জানাবেন।
ও হাঁ, আপনিও কিন্তু এরকম সুন্দর সুন্দর ফুড রেসিপি লিখতে বা ইউটিউবে রান্নার ভিডিও বানাতে পারেন! তাহলে এখনি যোগাযোগ করুন।
আরও ভালো জানার জন্য ইউটিউব চ্যানেল থেকে ঘুরে আসতে পারেন। আশা করি সহজ বিরিয়ানি ভিডিওটি দেখে আরও সহজে
বাসায় রান্না করতে পারবেন হোটেলের চেয়েও সুন্দর করে। প্রবন্ধটি সংরক্ষণে রাখতে আপনার সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করে রাখুন।
যাতে প্রয়োজনে খুজে পেতে সহজ হয়। সাথে থাকার জন্য অন্তরের অন্তরস্থল থেকে এক রাশ প্রিতি ও ভালোবাসা রইল।

হোমমেড খাবারের ব্যবসা উদ্যোক্তা হতে চান? তাহলে আজই যোগাযোগ করুন ফুডলিংক বিডি টিমের সাথে
আরও জানতে ভিজিট করুন: ফেসবুক গ্রুপ ।। ইউটিউব চ্যানেল।। যোগাযোগ
মোবাইল+হোয়াটসঅ্যাপ: 01711981051 (সকাল ১০ – রাত ৯ টার মধ্যে কল করুন)

লেখাটি আবার পড়তে পড়তে চান? আপনার সোসাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.